Showing posts with label Lifestyle. Show all posts
Showing posts with label Lifestyle. Show all posts
Tuesday, September 27, 2016
Drink This Before You Sleep At Night To Have Less Weight In The Morning! Recipe Included
Weight reduction is regularly a sore subject for some. We for the most part begin some strict practice and eating routine administration that insurances weight reduction yet frequently wind up surrendering it when we see next to no outcome for our endeavors. As a rule weight reduction happens bit by bit, over a timeframe, which won’t not run down well with restless individuals who need moment results. A significant number of wish that we lose say something a moment, without doing a lot of an exertion, yet those who’ve attempted it realize that it’s exceptionally troublesome. Be that as it may, consider the possibility that we let you know that it’s not by any stretch of the imagination unimaginable. Imagine a scenario where here was a mysterious beverage that will help you get more fit by morning. You clearly should believe we’re crazy, however we’re without a doubt not.
Friday, September 16, 2016
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কৌশল
সুস্থ জীবনের জন্য কম খাওয়া বা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া তেমন কোনো উপকার করতে পারে না। পরিমাণের চেয়ে জরুরি হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
মুম্বাইয়ের কর্পোরেট পুষ্টিবিদ ড. নুপুর কৃষ্ণা জানান স্বাস্থ্যকর খাদ্য নয় সুস্থ জীবনযাপনের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি জানান, প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। যে সব খাবার খেতে ভালো লাগে সেসব খাবার পুষ্টিগুণ বিবেচনা করে খাদ্য তালিকায় যোগ করতে হবে। তবে মূল বিষয় হচ্ছে, ওজন ও উচ্চতার আদর্শ অনুপাতটা মাথায় রাখা। এটাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সবচেয়ে সহজ উপায়।
ড. কৃষ্ণার কথায় সমর্থন জানিয়ে পুষ্টিবিজ্ঞানী এবং ক্লিনিকাল ডায়েটেশিয়ান ড. পুজা মাখিজা বলেন, কম খাওয়া আসলে সুস্থ থাকায় কোনো সাহায্য করতে পারে না। কম খেয়ে ওজন কমানো যেতে পারে, তবে স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য কম খাওয়া ক্ষতিকর। তাই কম ক্যালোরির ডায়েট না করাই ভালো।
ইচ্ছাকে দমন: মাঝে মাঝেই আমাদের বিশেষ কোনো খাবার খাওয়ার জন্য প্রাণ ছুটে যায়। দেখা যায় ভরা পেটেও আমরা সেই বিশেষ খাবার খেতে ছুটছি।
ডাক্তারদের মতে, এই খাওয়ার ইচ্ছার সঙ্গে ক্ষুধার কোনো সম্পর্ক নাই। এটা শুধুই মনের মধ্যে তৈরি একটা কল্পনা যা খাবারের প্রতি তীব্র টান তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যখন কিছু খাওয়ার জন্য তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় তখন অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যেতে হবে। এতে খাবারের প্রতি মনযোগ থাকে না আর খাওয়ার ইচ্ছাটাও ধীরে ধীরে প্রশমিত হয়।
দুপুরের সঠিকভাবে খাওয়া: ব্যস্ত জীবনে ঠিকভাবে দুপুরের খাওয়া খাওয়ার সময় হয় না। অনেক সময়ই হাঁটাচলা বা কাজের মধ্যে যাই হোক কিছু একটা মুখে গুঁজে নেই। কখনও কখনও সেগুলো হালকা নাস্তা, বিস্কুট বা বাদাম দেওয়া উচ্চ ক্যালোরির ‘বার’ হয়। অল্প সময়ে সাবাড় করা যা এই খাদ্যগুলোতে ক্যালোরির পরিমাণ যথেষ্ট বেশি হয়ে যায়। ফলে শরীর তার প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে যায়। তবে মস্তিষ্ক পায় না। পাশাপাশি এই খাবারগুলো আকারে ছোট হওয়ায় পেটের অধিকাংশ অংশই খালি থেকে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন দুপুরের খাবার এভাবে খেলে পেট তো ভরেই না উল্টো অতিরিক্ত পুষ্টি গ্রহণ করা হয় যা শরীরের মোটেই দরকার ছিল না। এ থেকে বাঁচতে একটা সঠিক নিয়মের খাবার খাওয়া দরকার। যত ব্যস্ততাই থাকুক কাজ থামিয়ে, একটা টেবিলে বসে প্লেটে খাবার বেড়ে একটু সময় নিয়ে খেতে হবে। এভাবে খেলে শরীর পুষ্টি পায় খাবার হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় পর্যন্ত খাবার পেটে থাকে।
কোনো খাবারকে ‘না’ বলা নয়:
সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কিছু সাধারণ কথা মাথায় গাঁথা থাকে। যেমন- চিনি বাদ দেই, লবণ এবং শর্করা থেকে বেঁচে চলি। তবে এই ‘না’ বলা বা এড়িয়ে চলায় তেমন কোনো উপকার হয় না। কেননা শরীরে এই খাদ্যগুলোরও কিছুটা প্রয়োজন আছে।
পাশাপাশি এগুলো থেকে দূরে থাকতে গিয়ে এ ধরনের খাবারের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ তৈরি হয়। ফলে সুযোগ পেলে অনেকটা খেয়ে ফেলা হয়। এভাবে অনেকটা খেয়ে ফেললে শরীরের ক্ষতি আরও বেশই হয়। তাই নির্দিষ্ট খাবার কিছু না এড়িয়ে এগুলোকে পরিমিত মাত্রায় খাওয়া যেতে পারে।
খাবারের প্রতি সঠিক মনোভাব গড়ে তোলা: খাবার নিয়ে অনেকের অনেক রকমের ফ্যান্টাসি আছে। প্রায় সবাই খাওয়াকে উৎসব মনে করে। যে কোনো কিছু উদযাপন করতে বিশাল ভোজ দেয়। এ ছাড়াও মন খারাপে খাওয়া, সময় কাটানোর খাওয়া, নতুন রেস্তোরাঁয় রেসিপি চেখে দেখার খাওয়ার মতো শত শত বাহানা তো আছেই। এই খাওয়ার ধাক্কায় মূল একটি বিষয় সবাই ভুলে বসে, সেটা হল- ‘খাদ্যের আসল কাজ ক্ষুধা নিবারণ করা।’
খাওয়া নিয়ে যার যেরকম আবেগ কাজ করুক না কেনো, খেতে হবে শুধুমাত্র ক্ষুধা লাগলে। মানে যখন দেহের চাহিদা হবে তখনই খাবার খাওয়া উচিত। আর পুষ্টিবিদেদের মতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে সারাদিন ধরে ‘স্ন্যাক্স’ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ৫ নিয়ম
কোন ধরনের খাবার খেলে স্বাস্থ্য থাকবে ভালো, জেনে নিন।
শরীর ভালো রাখতে দরকার শরীরচর্চা। এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। রং ও প্রকার ভেদে কোন ধরনের খাবার শরীরের জন্য ভালো সেটা জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট।
প্রক্রিয়াজাত খাবার: ব্যস্ত জীবন আমাদের প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারে আসক্ত করে তোলে। এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসে ছোট কিছু পরিবর্তন বড় প্রভাব ফেলে। তাই বাইরে প্যাকেটজাত খাবার, প্রক্রিয়াজাত বীজ, সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল ইত্যাদি বাদ দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
সাদা খাবার এড়ান: ভাত, রুটি, পাস্তা, নুডুলস ইত্যাদি পরিশোধিত সাদা খাবার আমাদের খাদ্যাভ্যাসে একটি বড় অংশ, যার কোনো পুষ্টিগুণ নেই বললেই চলে। এসবের বদলে ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর অপরিশোধিত খাবার বেছে নিতে পারেন।
চা-কফি: চা-কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও বিভিন্ন অ্যাসিড পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। এর বদলে পান করতে পারেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওজন কমাতে সহায়ক উপাদানে ভরা গ্রিন টি।
ঘুম: ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াইসকোনসিন স্কুল অফ মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ-এর এক গবেষণায় দেখা যায়, ঘুমের ঘাটতি মস্তিষ্ককে বেশি মিষ্টি এবং চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার তাগিদ দেয়। প্রতিদিন কমপক্ষে সাত ঘণ্টা একটানা ঘুমাতে হবে।
কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা: শরীরের কোলেস্টেরল ও রক্তে শর্করার পরিমাণের প্রতি যত্নবান হতে হবে। এতে খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
খাদ্যসংযমে যা খেয়াল রাখবেন
ওজন কমাতে এবং সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। তবে ওজন কমানো মানে এই নয় যে না খেয়ে থাকতে হবে বা কম খেতে হবে।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ডায়েট কন্ট্রোল’ নিয়ে প্রচলিত কিছু তথ্য এবং করণীয় বিষয় তুলে ধরা হয়। সেখানে কিছু ভুল ধারণা এবং অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করা হয়।
চর্বি বিহীন খাবার: ওজন কমানোর জন্য চর্বিজাতীয় খাবার কম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে চর্বিযুক্ত খাবার পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত নয়। এতে দুর্বলতা ভর করতে পারে। শরীরে শক্তি সঞ্চার করা, কোষ গঠন এবং শরীরের প্রতিটি অংশে ভিটামিন ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তাই এ ধরনের খাবার পুরোপুরি বাদ না দিয়ে বরং কিছুটা তালিকায় রাখা ভালো। এক্ষেত্রে মাখনের বদলে স্বাস্থ্যকর বিকল্প অলিভ অয়েল বেছে নিতে হবে।
রাতে দেরিতে না খাওয়া: মাঝ রাতে খাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। অনেক স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তি বলে থাকেন তারা রাতের খাবারের পর আর কিছুই খান না। রাতে দেরিতে খাওয়া যেতেই পারে। তবে এক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে যেন খাওয়া এবং ঘুমানোর মাঝে বেশ কিছুক্ষণ সময় থাকে। তাহলে আর শরীরে চর্বি জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।
কিছু খাবার এড়িয়ে চলা: ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কিছু খাবার যেমন উপকারী তেমনি কিছু খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত, এমন ধারণাই প্রচলিত। ফল, সবজি, বাদাম- ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। তারমানে এই নয় যে ভাত, রুটি বা পাস্তা একেবারেই বাদ দিয়ে দিতে হবে। অল্প পরিমাণে মাপ মতো সব ধরনের খাবারই খাওয়া যাবে।
হজমে সমস্যা হওয়া: বিশেষজ্ঞদের মতে যার শরীরের ওজন যত বেশি তাদের দৈনন্দিন কাজ চালাতে ততটাই বেশি ক্যালরি খরচ করতে হয়। তাই হজম না হওয়া ওজন বাড়ার মূল কারণ নয়। যখন প্রয়োজনের তুলনায় কেউ বেশি খেয়ে ফেলে তখনই ওজন বৃদ্ধি পেতে থাকে।
খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ: ‘ক্রাশ ডায়েট’ হিসেবে পরিচিত ওজন কমানোর জন্য জনপ্রিয় এই পদ্ধতিতে খুব অল্প সময়ে অনেকটা ওজন কমিয়ে আনা যায়। তবে এই উপায়ে দ্রুত ফল পাওয়া গেলেও তা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। ডাক্তারদের মতে এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসের ফলে মেদের পাশাপাশি মাংসপেশি এবং কিছু টিস্যুও ক্ষয় হয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নানান সমস্যা শুরু হয়। তাই ওজন কমাতে তাড়াহুড়া না করে ধৈর্য্য ধরে খাদ্যাভ্যাস বদলানো উচিত।
Subscribe to:
Posts (Atom)



